গুঁড়া হলুদ (Turmeric) খাওয়ার অনেক গুণাবলী এবং উপকারিতা রয়েছে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। হলুদে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে, যার নাম কুরকিউমিন (Curcumin), যা বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবেলায় সহায়তা করে। নিচে গুঁড়া হলুদের কিছু প্রধান উপকারিতা দেওয়া হল:
গুঁড়া হলুদ একটি শক্তিশালী প্রদাহনাশক। কুরকিউমিন প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং এটি আর্থ্রাইটিস বা অন্যান্য প্রদাহজনিত সমস্যার জন্য খুবই উপকারী।
হলুদে থাকা কুরকিউমিন শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা শরীরের মুক্ত র্যাডিক্যালদের (free radicals) নষ্ট করতে সাহায্য করে এবং সেলগুলোকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
হলুদ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে সহায়তা করে, রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ভূমিকা রাখে।
গুঁড়া হলুদ হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে সহায়তা করে। এটি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা, পেট ফোলা বা অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে এবং পাচনতন্ত্রের জন্য উপকারী।
হলুদে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণে চর্মের বিভিন্ন সমস্যা যেমন দাগ, ব্রণ বা স্কিন ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে।
হলুদ মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী। এটি আলঝেইমার রোগের সম্ভাবনা কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
কুরকিউমিন ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি থামাতে সাহায্য করতে পারে। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়।
হলুদ ওজন কমানোর জন্যও সহায়ক হতে পারে। এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া (metabolism) বাড়াতে সাহায্য করে, ফলে চর্বি পুড়ে যায় এবং ওজন কমে।
হলুদ শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, যা সংক্রমণ বা ভাইরাস প্রতিরোধে সহায়তা করে।
হলুদ শরীরে ইনসুলিনের প্রতিক্রিয়া শক্তিশালী করতে সাহায্য করে, ফলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
গুঁড়া হলুদ নানা রকমের খাবারে যোগ করা যায়। যেমন:
তবে গুঁড়া হলুদ অত্যাধিক পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি কিছু ক্ষেত্রে পেটের সমস্যা বা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে। এজন্য প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
No review given yet!